আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে শেখ ইয়াসিনের উদ্যোগে বেঁদেপল্লীর যুবকদের ক্রীড়া সামগ্রী ও অসহায়দের নগদ অর্থ বিতরণ ৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ টিনের ঘরে পাঠদান, বৃষ্টি হলেই ভিজে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। একজন শিক্ষিত মা ই করতে পারে, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু। উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিকের মৃত্যুতে বিপিজেএফের গভীর শোক গোসাইরহাটে কোস্ট গার্ডের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: ৪৩০ জনকে চিকিৎসা সেবা শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হলেন এম. হারুন অর রশিদ শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত । গোসাইরহাটে শিক্ষা কর্মকর্তাকে কুড়াল দিয়ে কোপানোর অভিযোগে, প্রধান শিক্ষক আটক। ডামুড্যার শিধলকুড়ায় মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত। ডামুড্যায় মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত। ডামুড্যায় মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত। গোসাইরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত: সমবায়ীদের মাঝে গাছের চারা ও ঋণের চেক বিতরণ শরীয়তপুরে স্কুল অফিস সহায়ককে কুপিয়ে জখম, পরে পুকুরে নিক্ষেপ ৪৬ নং সম্ভুকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন: সভাপতি শামিম, সহ-সভাপতি সেলি ম বুড়িরহাট আব্দুর রাজ্জাক কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী উপলক্ষে দেয়া মাহফিল। পশ্চিম চর বিষকাটেলিতে গভীর রাতে বসতরাড়ীর রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগঃ এলাকায় চাঞ্চল্য শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন। ডামুড্যায় বোনের জন্য ফ্রিজ কিনে ১ লাখ টাকার মেগা ক্যাশ ভাউচার বিজয়ী ইমরান। ডামুড্যায় জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন অপুর নির্দেশে ব্রীজের দু পাশ সংস্কার। মেসেঞ্জারে জুয়ার লিংক পাঠিয়ে যুবসমাজকে বিপথে নেওয়ার অভিযোগ
ad728

শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ৩০ হাজার টাকায় মীমাংসা, থানায় মেলেনি প্রতিকার

রিপোর্টারের নাম: Shariatpur Express 24
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Apr 11, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ৩০ হাজার টাকায় মীমাংসা, থানায় মেলেনি প্রতিকার

শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ৩০ হাজার টাকায় মীমাংসা, থানায় মেলেনি প্রতিকার  

স্টাফ রিপোটার :

নোয়াখালীর হাতিয়াতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ২১ দিন বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসে স্থানীয় ১৭ সালিশদার সালিশে ৩০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।  

অভিযুক্ত মো.মোছলেউদ্দিন (৬০) উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার চৌমুহনী এলাকার সেকান্তর মিয়ার ছেলে এবং ভুক্তভোগী শিশুর দূর সম্পর্কের জেঠা।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রেজানাযায়,ভুক্তভোগী শিশুর বাবা একজন ওমান প্রবাসী। তার মা বাড়িতে দুই ছেলে-মেয়ে বসবাস করেন। স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর থেকে পার্শ্ববর্তী ঘরের মোছলেউদ্দিন ভিকটিমের মাকে বিভিন্ন ভাবে অঙ্গভঙ্গি করে কুপ্রস্তাব দিত। 

রাতে বসতঘরের জানালা দিয়ে ওই নারীর ঘরের দিকে উঁকি মারত। সামাজিক ভাবে বিষয়টি জানালে তাকে সতর্ক করা হয়। গত ১৭ মার্চ ভিকটিমের মা ঈদের বাজার করতে স্থানীয় চৌমুহনী বাজারে যায়।
ওই সুযোগে মোছলেউদ্দিন ভিকটিমকে তাদের বসতঘরের সামনে থেকে কোলে করে তার পুকুর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে শিশুটির চিৎকার শুনে তার স্বজনেরা এগিয়ে আসে। এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় লিখিত অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পায়নি।

 উল্টো পুলিশ তাকে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে সমাধান করতে বলে। এরপর গত মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল সালিশি বৈঠকে ৩০ হাজার টাকায় মীমাংসা করা হয়।  

সালিশদার মো.ফারুক বলেন, ভিকটিম মা থানায় একটি পিটিশন মামলা করেন। এ ঘটনায় আমরা ১৭-১৮জন সালিশদার নিয়ে একটি বৈঠক বসি। ওই বৈঠকে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার সত্যতা আমরা পাইনি। পরে মহিলা মামলা প্রত্যাহার করে। শিশুটিকে থাপ্পড় দেওয়ার কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। হাজী বেলাল উদ্দিন নামে একজনের কাছে জরিমানার ৩০ হাজার টাকা জমা আছে। মেয়ের মা টাকার জন্য আসলে তাকে টাকা দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্ত মেয়ের মা টাকা নিতে আসেনা।      

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো.মোছলেউদ্দিন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, মারামারির একটি ঘটনা নিয়ে বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে বিষয়টি মিটমাট করা হয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি কিভাবে সামাজিক ভাবে ভাঙ্গা হয়েছে। এটি তিনি বলতে পারবেননা, সেটা সমাজ জানে।  

যোগাযোগ করা হলে ভুক্তভোগী শিশুর মা শনিবার দুপুরের দিকে জানিয়েছেন, তিনি জরিমানার টাকা পেয়েছেন। তিনি তার শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি পাল্টা তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। সালিশি বৈঠকের পর দুটি মামলা তুলে নেওয়া হয়। এপর্যায়ে তিনি পুলিশ ও সালিশদারদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন।    

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন, ভিকটিমের মা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিদর্শক তদন্তের নেতৃত্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। উপরন্ত ওখানে ঊনাদের সাথে অভিযুক্তদের পারিবারিক বিরোধ আছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে এ অভিযোগ করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, শিশু বাচ্চাদের মধ্যে মারামারি ঘটনায় যিনি অভিযুক্ত তার নাতিও ছিল। ওই নারীর সন্তানেরা তার নাতিকে মারধর করে। এজন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর মেয়েকে থাপ্পড় দেয়। এটাই সত্যতা পাওয়া গেছে। তারপরও ভিকটিমের মাকে বলা হয়ে মামলা করতে। আমরা তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কিন্তু তিনি মামলা করতে আসেননি। আমরা এই নিষ্পত্তির সাথে যুক্ত নেই।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন ইমেইল এ Shariatpurexpresslive24@gmail.com
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad300